অসহায় দরিদ্র কৃষকদের সম্পদ অন্যায় ভাবে গ্রাশ করা ও মাননীয় প্রধানমুনত্রীর সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ধংশ করছে সরকারি ভুমি কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন - দৈনিক আজকের দুর্নীতি
ঢাকাসোমবার , ২৫ জুলাই ২০২২

অসহায় দরিদ্র কৃষকদের সম্পদ অন্যায় ভাবে গ্রাশ করা ও মাননীয় প্রধানমুনত্রীর সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ধংশ করছে সরকারি ভুমি কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক হাফিজুর শেখ
জুলাই ২৫, ২০২২ ১০:০০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সোমবার দুপুর ১২ টার সময় যশোর প্রেশক্লাবে দরিদ্র কৃষকদের উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে।ইউনিয়ন ভুমি সরকারি কর্মকর্তা মোঃ আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
মোঃ আবুল কাসেম পিতা- মৃত বিলায়েত গাজী, গ্রাম বালিয়াডাঙ্গা, ডাকঘর- কেশবপুর উপজেলা- কেশবপুর, জেলা- যশোর।মোঃ আমজাদ হোসেন, সহকারি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা, কাটাখালী পড়িয়া, কেশবপুর, যশোর জোর পূর্বক চাঁদ।সমন, অবৈধ অর্থ সম্পদের মালিক এবং বিভিন্ন দুর্নীতির সত্যতা ও প্রমানের ভিত্তিতে, আমার সমস্যা গুলো বিভিন্ন সরকারি অফিস ও দপ্তরে বারবার অভিযোগ করে ও কোন ন্যায় বিচার না
পেয়ে আজ আমি আমার পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য প্রদান করছি। একজন দুর্নীতি বাজ মোঃ আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। সহকারি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিম্নলিখিত অভিযোগগুলো পেশ করছিঃ ১/ আমার পৈত্রিক সম্পত্তি ভাইয়ে ভাইয়ে ৪০ বছর আগে বণ্টনকৃত ৪৩১ খতিয়ানে ১৮১ দাগে ৪. আমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছি। আমার অন্যান্য ভাইয়েরা সমপরিমান জমি অন্যান্য দাগে ভোগদখল করে আসছে। মোঃ আমজাদ হোসেন। দীর্ঘদিন ধরে অন্যান্য ভাইদের কুপরামর্শ দিয়ে আমার দলীয় জমি তাদের কাছ ঘরে দলিল করে নিয়ে মস্তান, লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে আমাকে মেরে জোরপূর্ব দখল করে নিয়েছে। পার্টিশানমামলা থাকা সত্ত্বেও জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ করছে।২। ১৫/১৬ বছর সামান্য বেতনে চাকুরি, ভাড়া বাসায় বসবাস করে ৫টি প্লটে কোটি টাকার ফ্লাট বাড়ি, গোডাউন দোকান ঘর এবং প্রাচীর নির্মাণ করছে। এছাড়া ২০১৭-২০১৮ সালে নিজ ও স্ত্রীর নামে কোটি কোটি টাকার সম্পন ক্রয় করেছে। দলিল নং ও তারিখ বিভিন্ন অভিযোগে দেওয়া আছে। তার ঘের ভেড়া আছে। ৩। ২৭১ খতিয়ানে ১৬৭ লাগে আমার পাঁচ ভাইয়ের মোট জমি ২৩.২৫ শতক। প্রথমে এক ভাই আমাদের বোনাই শেষ নূরুল হোসেনের কাছে ৪.৭৫ শতক জমি বিক্রয় করি (বোনাই তার মেয়ে হালিমা খাতুনকে বাড়ি করার জন্য 6.৫ শতক জমি দেন। দ্বিতীয় বার আমরা গ্রামীন ফোন টাওয়ারের কাছে ৩০ শতক জমি করি। দাগে আমাদের জমি থাকে ২০ কিন্তু আমজাদ হোসেন অন্যান্য ভাইদের কাছ থেকে ১৪ শতক জমি নিয়েও তার নামে দলিল করে নিয়েছে। ভূমি অফিসে চাকুরী করার সুবাদে দুর্নীতি ও প্রতারণা করে ১৮ শতক জমি।তাদের নামে নামজারি করে নিয়েছে। এর সুবাদে বোনায়ের জন্মকৃত কিছু অংশ জমি দখল করে ঘর নির্মাণ করছে।সেখানেও কেস চলছে।৪। পাঁথিয়া ইউনিয়নের সরকারি গেজেট ভুক্ত এনিমি খাস জমি শরীকদের না দিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সামলা কেটে দিয়েছে। তিনি অফিসে প্রচুর দুর্নীতি করে যাচ্ছে। দেখার কোন লোক নেই। এছাড়া তার শ্যালক, ভার সহযোগিতায় সরকারি ৫ ফুট রাস্তায় প্রাচীর নিয়েছে এবং ঘর নির্মাণ করছে। তাতে জনস্বার্থ ও গণের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। তাঁর অত্যাচারে আমরা সকলে জরিত। আমরা বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও সুবিচার পাননি। সে টাকা ও ক্ষমতার জোরে একেরপর এক অন্যায় কাজ করে যাচ্ছে। আমাকে মিথ্যা মামলা এবং জীবননাশের হুমি দিচ্ছে। তাই আমি নিরাপত্তাহীনতায় জীবনযাপন করছি। তিনি আরো বলেন,
গরীবের বন্ধু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা মানা গরীবদের পাশে, কুষকদের পাশে, অসহায়দের পাশে আছে এবং ভূমিহীনদের বাড়ি ও জমি। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন মোঃ আমজাদ হোসেন ধ্বংস করছে, গরীবদের শোষণ ও অত্যাচার করছে। এই সকল যাবতীয় সমস্যাগুলো আপনার লিখনীর মাধ্যমে অরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কলম সৈনিক ভাইয়েরা এই অসহায় দরিদ্র কৃষকের কথা চিন্তা করে সকল প্রমাণের ভিত্তিতে সততার সাথে আপনাদের লিখনীতে আমরা উপকৃত হবো।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।